Our Partners:
Our Partners:
×
logo 

Pulsar 135 LS মালিকানা রিভিউ (লিখেছেন- ফাহাদ)

This post is also available in: English

আমি ফাহাদ পেশায় একজন ছাত্র। আজ আমি যে বাইক টির রিভিউ করবো সেটি Pulsar 135 LS। আমাদের ফ্যামিলির প্রথম বাইক। এটি একটি অসাধারন বাইক। আর আমার পছন্দের প্রধান কারণ হচ্ছে এটার লুক।
বাইকিং হচ্ছে আমার শখ। আমার বাসা সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনাগর থানায় ডাকঘর উত্তর কদমতলা। আমার বাসা থেকে তিন কিলোমিটার দূরে আমার কলেজ। সেখানে আসা যাওয়ার জন্য এবং পারিবারিক কাজে বাইক প্রয়োজন। বাইক কেনার আগে আমি অনেক ভেবে চিনতে এই বাইক টা নেই। কারন এটার লুক আর পারফর্মেন্স ছিল আসাধরন। এটা আমাকে কোন সময় হতাশ করিনি। তাছাড়া আরও একটা বিশেষ কারণ হচ্ছে এটার ভাইব্রেশন অনেক কম 135 সিসি এর তুলনায়। আমি যখন বাইকটা কিনি আমার এলাকার একজনের কাছ থেকে, ছয় মাস পর প্রায় নতুন অবস্থাতে বাইক টা কেনার জন্য বিক্রেতা আমার কাছে নিজে এসেছিল।
বাইক টা প্রথম দিন চালানোর আনন্দটা ছিল আমার কাছে একটা রোমাঞ্চকর ঘটনা। আমি বাইক টা একটানা 300 কি.মি. চালানোর পরও আমার কোন ব্যাক পেইন হয় নি। বাইক টির ফিচার গুলোর মধ্যে রয়েছে digital speedometer, carburetor allow ring, self start and kick start etc. অন্য বাইকের চেয়ে খুব আরামদায়ক মনে হয়, স্পিড ১০০ উঠলেও ভাইব্রেশন হয়না, মিটারের দিকে না তাকালে স্পিড বোঝা যায়না, সামনে ডিস ব্রেক এবং পিছনে ড্রাম ব্রেক থাকায় কন্ট্রোল ভালো হয়, টায়ার মোটা এবং গ্রিপ ভালো হওয়ায় স্কিড করে না। আমার বাইক টি মনে হয় ১৫০ সি সি বাইক এর মত। আমি এটি নিয়ে Pulsar ১৫০, Apache ১৬০, Discover ১৩৫ সবার সাথে রেস এ কখনো হতাশ হয়নি। আমার বাইক টি আমি ৮০০০০ কি.মি. রাইড করেছি এবং অনেক বার সার্ভিস করেছি তার বেশির ভাগ এ জেলা শহর সাতক্ষীরা থেকে করেছি এবং একবার টায়ার বাদ দিয়েছি সামনে পিছন উভয়ই। প্রথম অবস্থাতে অমি মাইলেজ পেয়েছি ৬০  করে এখন পাই ৫০-৫৫ কি.মি. আমার বাইকটি আমি 1000 কি.মি. এ একবার করে ওয়েল পরিবর্ত করে থাকি, তার গ্রেড হচ্ছে 20W40।
আমার বাইক এর পার্টস গুলার মধ্যে যেগুলো বাদ দিয়েছি তা হচ্ছে এক সেট টায়ার, কানেক্টিং, টাইমিং চেইন, ক্লাচ প্লেট আর টুকি টাকি কিছু জিনিস। এগুলো বাদ দেওয়ার কারণ হচ্ছে আমার বাইক টা যেহেতু ৮০ হাজার কি.মি. ট্র্যাভেল করেছে। আমার বাইক এর কোন অংশ আমি মডিফায় করিনি। বাইক টি দিয়ে আমার তোলা TOP SPEED 120 KM/H
আমার বাইক এর কিছু ভাল দিক –
  1. এটার মাইলেজ
  2. এটার স্পিড
  3. এটার controlling and acceleration
কিছু খারাপ দিক –
  1. পিছনের হাইড্রোলিক টা হার্ড
  2. চাকা চিকন
  3. স্পেয়ার পার্টস পাওয়া যায় না

লিখেছেন– ফাহাদ

This post is also available in: English

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।




Enter Captcha Here :

Main Menu